দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৫ ফেব্রুয়ারি: পাইকারি দোকানে প্যাকেট পিছু ১০ থেকে ২০টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছ। আর খুচরো দোকানে ৩০টাকা অবধি বেশি নেওয়া হচ্ছে প্রিন্ট প্রাইসের থেকে। দাম বাড়ার আগেই সিগারেট নিয়ে এভাবেই কালোবাজারি চলছে মেদিনীপুর, খড়্গপুর থেকে হাওড়া কিংবা কলকাতাতেও। দোকানদারদের দাবি, তাঁদের নাকি বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে! এই পুরোটাই যে গুজব এবং মিথ্যে কথা; রবিবার তা স্পষ্ট করলেন একটি সংস্থার (আইটিসি) ডিস্ট্রিবিউটররা। মেদিনীপুর শহরে এজন্য চারটি ফেয়ার প্রাইস শপও খোলা হয়ছে ওই সংস্থার তরফে। তাঁরা জানান, সিগারেটের দাম এখনও পর্যন্ত প্যাকেট পিছু এক টাকাও বাড়েনি। ডিস্ট্রিবিউটর থেকে সেলসম্যান- কেউই দাম বেশি নিচ্ছেন না। শুধুমাত্র দোকানদাররাই এই কালোবাজারি করছেন বা দাম বেশি নিচ্ছেন।


দাম বাড়ার আগেই, এভাবে প্যাকেট পিছু ২০-৩০টাকা বেশি নেওয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ ওই সংস্থার ডিস্ট্রিবিউটররা। প্রবাল ঘোষ নামে এক ডিস্ট্রিবিউটর বলেন, ‘আমরা ধূমপান করতে কাউকে উৎসাহিত করছিনা। না করাটাই শরীরের জন্য ভালো। কিন্তু, এভাবে ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশি দাম নেওয়া বা বাজারে গুজব রটানোটাও ঠিক নয়। আমরা নিশ্চিত করতে পারি, আমাদের কোনও সেলসম্যান বেশি দাম নিচ্ছেন না। কোন দোকানদারই বেশি দামের বিল দেখাতে পারবেন না। তা সত্ত্বেও ওঁরা প্যাকেট পিছু ১০ থেকে ২০টাকা বেশি নিচ্ছেন। খুচরো কিনলে আরও বেশি নেওয়া হচ্ছে। আমরা তাই ধূমপায়ী তথা ক্রেতাদের বলছি, প্রিন্ট প্রাইসের থেকে বেশি দাম দেবেননা।’ শনিবার থেকে মেদিনীপুর শহরে এজন্য চারটি ফেয়ার প্রাইস শপ খোলা হয়েছে ওই সংস্থার তরফে। শহরের জগন্নাথ মন্দির, কেরানীটোলা, তাঁতিগেড়িয়া ও স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় এই শপ খোলা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। সেইসঙ্গেই ওই সংস্থার তরফে বিভিন্ন দোকানেই নজরদারি চালানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রবাল বাবু।









