দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৩ ফেব্রুয়ারি: বাবার সাথে বাইকে চেপে মাধ্যমিকের দ্বিতীয় পরীক্ষা (ইংরেজি) দিতে যাচ্ছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর ব্লকের আনন্দপুর সন্তোষ কুমারী গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী যশোদা মিদ্যা। তার পরীক্ষাকেন্দ্র কেশপুর গার্লস হাইস্কুল। আনন্দপুর থেকে কেশপুরের দিকে যাওয়ার পথেই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাদের বাইক। গুরুতর জখম হয়েছেন যশোদা ও তার বাবা উজ্জ্বল মিদ্যা। যশোদাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তার ডান পা ভেঙে গিয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। দ্রুত অস্ত্রোপচার করতে হবে। চলতি বছরে যশোদার মাধ্যমিকের স্বপ্ন এভাবে শেষ হওয়ায়, বেদনাহত সংশ্লিষ্ট সকলেই!


আনন্দপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, আনন্দপুর থেকে কেশপুরে যাওয়ার পথে, আনন্দপুর সংলগ্ন পাচরা এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানকে ওভারটেক করতে গিয়ে বাইকের নিয়ন্ত্রণ হারান উজ্জ্বল বাবু। রাস্তার উপরই ছিটকে পড়েন বাবা ও মেয়ে দুজনই। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতাল এবং পরে মেদনীপুর মেডিকেল স্থানান্তরিত করা হয়। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের জেলা মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক সুভাষ হাজরা বলেন, অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। যশোদার পক্ষে আর পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয় বলেই মনে হচ্ছে। অন্যদিকে, পারিবারিক অশান্তির কারণে শনিবার বিকেলে বিষপান খড়্গপুর-২ নং ব্লকের মাদপুর গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী রনিতা বেরা। তবে, সেই সময় কিছু বোঝা যায়নি। সোমবার নিজের পরীক্ষাকেন্দ্র মাওয়া ঈশ্বরচন্দ্র হাইস্কুলেই বাংলা পরীক্ষা দেয় সে। তারপরই রাতের দিকে হঠাৎই অসুস্থতা অনুভব করে রনিতা। রাতেই তাকে ভর্তি করা হয় মেদনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মঙ্গলবার হাসপাতালের বেডে বসেই ইংরেজি পরীক্ষা দিচ্ছে অনিতা। সমস্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পর্ষদের মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক সুভাষ হাজরা।










