দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৮ জুলাই: বলা চলে এ যাবৎকালের অন্যতম সেরা সাফল্য অর্জন করলো খড়্গপুর টাউন থানা! এক রাতের মধ্যেই ৭ কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করলো টাউন থানার পুলিশ। শনিবার বিকেলে অভিনব কায়দায় গ্রাহক সেজে ৩ হেরোইন কারবারীকে গ্রেফতার করার পর, রাতে শহরের চার কুখ্যাত দুষ্কৃতীকে ২২ কেজি গাঁজা সমেত গ্রেফতার করল তারা। তদন্তে নেমে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ এও নিশ্চিত হলো- “এরাই সেই চার ছিনতাইকারী। কিছুদিন আগেই যারা এক সেনাবাহিনীর জওয়ানের স্ত্রী’র গলা থেকে সোনার হার ছিনতাই করে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল!” এছাড়াও, নানা অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে।
শনিবার রাতে গাঁজা নিয়ে আসার সময় খড়্গপুরের নিমপুরা এলাকা থেকে এই চার দুষ্কৃতী’কে গ্রেপ্তার করে খড়্গপুর টাউন থানার পুলিশ। অভিযুক্ত এই চার যুবকের কাছ থেকে প্রায় বাইশ কিলো গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্ত নেমে চক্ষু চড়কগাছ হয়, খড়্গপুর টাউন থানার পুলিশের! পুলিশ জানতে পারে এই চার অভিযুক্ত খড়্গপুর শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইয়ের ঘটনার সঙ্গেও জড়িত। একাধিক ‘সিসিটিভি’ ফুটেজে অভিযুক্তদের ছবি রয়েছে। এই চার দুষ্কৃতী হল- সুরেশ কুমার যাদব, টি ভেঙ্কট রাও, উজ্জ্বল স্বর্ণকার এবং ছোটু কেসরিয়া। ক’দিন আগেই খড়্গপুর শহরের বিদ্যাসাগরপুর এলাকায় এক সেনাবাহিনীর জওয়ানের স্ত্রী’র গলা থেকে সোনার হার ছিনতাই করে পালিয়ে যায় এই চার দুষ্কৃতী। সেদিনের সিসিটিভি দেখে এই চার জনকে শনাক্ত করেছে খড়্গপুর টাউন থানার পুলিশ। তারা শহরেরই বাসিন্দা। অভিযুক্ত চার জনকে রবিবার খড়্গপুর মহকুমা আদালতে তোলা হচ্ছে। একইসাথে, তিন হেরোইন কারবারীকেও তোলা হচ্ছে আদালতে।
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৫ জানুয়ারি: একটা সময় অবধি বাঙালির 'ভ্যালেন্টাইনস ডে' মানেই…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৩ জানুয়ারি: তৃণমূল পরিচালিত খড়্গপুর পুরসভার বোর্ড ভেঙে দেওয়া…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২২ জানুয়ারি: জঙ্গলমহল পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানা শহীদ ক্ষুদিরাম…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২১ জানুয়ারি: অতীতের সমস্ত 'রেকর্ড' ভেঙে গেল আইআইটি খড়গপুরের…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২০ জানুয়ারি: নাবালক ভাইপোর হাতে খুন হলেন পিসি! রবিবার…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৮ জানুয়ারি: ভয়াবহ আগুনে ভস্মীভূত গৃহস্থের বাড়ি। শীতের রাতে…