দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, খড়্গপুর, ৯ ফেব্রুয়ারি: দেবলপুর থেকে নিমপুরা- ‘রেলশহর’ খড়্গপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় পানীয় জলের সরবরাহ প্রায় বন্ধ! টানা ৬ দিন ধরে পানীয় জলের সঙ্কটে খড়্গপুর পৌরসভার ১৩টি ওয়ার্ড। ঝরিয়ার কাছে পাইপলাইন ফেটে গিয়েই বিপত্তি বলে জানিয়েছেন পৌরসভার চেয়ারম্যান কল্যাণী ঘোষ। তিনি এও জানিয়েছেন, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পাইপলাইন সারিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, গত শনিবার থেকে শহরের ১৩টি ওয়ার্ড পানীয় জলের সংকটে ভুগছে। বৃহস্পতিবার, ৬ দিনের মাথাতেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার সাধারণ বাসিন্দা থেকে শুরু করে বিরোধী নেতৃত্বরা।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ‘আমরা বামপন্থী খড়্গপুর’ সংগঠনের নেতৃত্বে শহরের মহিলারা মাথায় হাঁড়ি, কলসি, বালতি নিয়ে অভিনব প্রতিবাদে সামিল হন। ‘জল নেই, খাব কি?’ ব্যানার নিয়ে তাঁরা মিছিল করে পৌরসভায় আসেন। এরপর বিক্ষোভ দেখান এবং পৌরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে আধিকারিকের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন। ‘আমরা বামপন্থী খড়গপুর’ সংগঠনের সম্পাদক অনিল দাস চেয়ারম্যান সহ পৌর প্রতিনিধিদের তীব্র আক্রমণ করে বলেন, “ব্যর্থ! পৌরসভা পুরোপুরি ব্যর্থ। ৭ দিন হতে চললো জল নেই। এটা ভাবা যেতে পারে! সভ্য সমাজ এই জিনিস কখনো হয়নি। খড়্গপুর পৌরসভা সারা রাজ্যে ব্যর্থতার একটা নতুন ইতিহাস তৈরি করল!” বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যান কল্যাণী ঘোষ বলেন, “আমি নিজে ঝরিয়াতেই পড়ে আছি। পাইপলাইন সারানো হয়েছে। অতিরিক্ত চাপের জন্য একটু সমস্যা হচ্ছে। শুক্রবার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করছি।”
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৫ জানুয়ারি: একটা সময় অবধি বাঙালির 'ভ্যালেন্টাইনস ডে' মানেই…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৩ জানুয়ারি: তৃণমূল পরিচালিত খড়্গপুর পুরসভার বোর্ড ভেঙে দেওয়া…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২২ জানুয়ারি: জঙ্গলমহল পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানা শহীদ ক্ষুদিরাম…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২১ জানুয়ারি: অতীতের সমস্ত 'রেকর্ড' ভেঙে গেল আইআইটি খড়গপুরের…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২০ জানুয়ারি: নাবালক ভাইপোর হাতে খুন হলেন পিসি! রবিবার…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৮ জানুয়ারি: ভয়াবহ আগুনে ভস্মীভূত গৃহস্থের বাড়ি। শীতের রাতে…