দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, কলকাতা, ২০ জুন: ক্রমেই যেন বিপজ্জনক হয়ে উঠছে কোভিড পরবর্তী শারীরিক জটিলতা! কোভিড নেগেটিভ হওয়ার পরের দিনই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হলেন, গোসাবার ৩ বারের তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর। শনিবার রাত্রি ৮ টা ২০ তে তিনি পরলোকগমন করেন! উল্লেখ্য যে, করোনা আক্রান্ত হয়ে গত প্রায় মাসখানেক ধরে তিনি ভর্তি ছিলেন, বেলভিউ নার্সিংহোমে। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার তাঁর কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় নন কোভিড ওয়ার্ডে। কিন্তু, ২৪ ঘন্টার মধ্যেই কোভিড পরবর্তী জটিলতার কারণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় এবং শনিবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন। বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।
প্রসঙ্গত, সুন্দরবনের গোসাবার তিনবারের বিধায়ক ছিলেন জয়ন্ত নস্কর। মাসখানেক আগে তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। প্রথমে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল এম আর বাঙুর হাসপাতালে। সেখান থেকে বেসরকারি হাসপাতাল বেলভিউতে স্থানান্তরিত করা হয়। মাসখানেক ধরে লড়াই চলছিলো। প্রথমে আইসিসিইউ’তে ছিলেন। পরে জেনারেল বেডে দেওয়া হয়। এদিকে, শুক্রবার তাঁর কোভিড রিপোর্ট নেগেটিভ’ও আসে। হঠাৎ করেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়! শনিবার রাত্রি ৮ টা ২০ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন জয়ন্ত বাবু। বিধায়কের মৃত্যুতে ট্যুইট করে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন, “জয়ন্ত নস্করের পরিবার ও তাঁর সমর্থকদের প্রতি সমবেদনা রইল। এই বিরাট ক্ষতিতে খুবই আহত হয়েছি। তিনবারের বিধায়ক হিসেবে উনি গোটা জীবন সাধারণ মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছেন। বহু লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গে ছিলেন। ওঁকে আমরা মনে রাখব।”
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৫ জানুয়ারি: একটা সময় অবধি বাঙালির 'ভ্যালেন্টাইনস ডে' মানেই…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৩ জানুয়ারি: তৃণমূল পরিচালিত খড়্গপুর পুরসভার বোর্ড ভেঙে দেওয়া…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২২ জানুয়ারি: জঙ্গলমহল পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানা শহীদ ক্ষুদিরাম…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২১ জানুয়ারি: অতীতের সমস্ত 'রেকর্ড' ভেঙে গেল আইআইটি খড়গপুরের…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২০ জানুয়ারি: নাবালক ভাইপোর হাতে খুন হলেন পিসি! রবিবার…
দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৮ জানুয়ারি: ভয়াবহ আগুনে ভস্মীভূত গৃহস্থের বাড়ি। শীতের রাতে…