দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৯ অক্টোবর: হেলমেট না পরলে ছাড় নেই কারুরই! এমনকি তিনি যদি হন খোদ পুলিশ কর্মী। সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ মোট ৩০ হাজার ৯৭৬ টি জন বাইক আরোহী -কে নাকা চেকিংয়ে পরীক্ষা করেছেন। এর মধ্যে, সচেতন বাইক আরোহী হলেন ২২ হাজার ৯৩১ জন। তাঁদের মাথায় ছিল হেলমেট। বিনা হেলমেটের বাইক আরোহী পাওয়া গেছে মোট ৮০৪৫ জন। এর মধ্যে, ৭৮৯২ জন হলেন পুরুষ আরোহী। ১৩৯ জন হলেন মহিলা। অপরদিকে, ১৪ জন হলেন পুলিশ বিভাগেই কর্মরত! শনিবার জেলা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার এই তথ্য তুলে ধরেন সাংবাদিকদের সামনে।

thebengalpost.net
জেলা পুলিশ সুপারের সাংবাদিক বৈঠক :

জেলা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, “আমি আগেই জানিয়েছিলাম, দুর্ঘটনা কোনও রং দেখেনা, পুরুষ-মহিলা দেখেনা, চাকরি দেখেনা! তাই, জাতীয় সড়কে উঠলেই সকলকে হেলমেট পরতে হবে। নিয়ম মেনে বাইক চালাতে হবে।” ১৩৯ জন মহিলা ও ১৪ জন পুলিশ কর্মী-র বিরুদ্ধেও তাই হেলমেট না পরার অভিযোগে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। জেলা পুলিশ সুপার এও জানিয়েছেন, ৮০৪৫ জন আইনভঙ্গকারীর কাছ থেকে এই কয়েক সপ্তাহে মোট ৮ লক্ষ ৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে জেলা পুলিশ সুপার এও স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পুজোর সময়ও পুলিশের কড়া নজরদারি চলবে। ব্যবস্থা নেওয়া হবে বিধিভঙ্গকারী এবং বেয়াদব বাইক চালকদের বিরুদ্ধে! শুধু হেলমেট নয়, পুজোর সময় মাস্ক না পরে বাইরে বেরোলেও কড়া পদক্ষেপ নেবে জেলা পুলিশ। এবার, জেলার মোট ১৩১৯ টি পুজো কমিটির হাতে সরকারি অনুদানের ৫০ হাজার টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার। তাঁদের উদ্দেশ্য তিনি কোভিড বিধি মেনে চলার কড়া বার্তা দিয়েছেন। মোট ২০ হাজার মাস্ক ও ৫ হাজার লিটার স্যানিটাইজার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পুজো কমিটিগুলির হাতে তুলে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।