দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৯ জানুয়ারি: একধাক্কায় আরও প্রায় দেড় ডিগ্রি নামল তাপমাত্রা! শুক্রবার ভোর ৫টা নাগাদ জেলা শহর মেদিনীপুর সহ সংলগ্ন এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬.৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা চলতি মরশুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এমনটাই জানা গেছে মেদিনীপুর শহরের উপকন্ঠে অবস্থিত বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অটোমেটিক ওয়েদার স্টেশনের রিপোর্ট থেকে। এই রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৩১ ডিসেম্বর (২০২৫) পশ্চিম মেদিনীপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.৪৫ ডিগ্রি। এরপর, গত ৬ থেকে ৮ জানুয়ারি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে- ৮.১৫, ৮.০৯ এবং ৯.০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরপর, আজ, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) একধাক্কায় আরও খানিকটা তাপমাত্রা কমে ‘রেকর্ড’ শীতের নজির গড়ল জঙ্গলমহলের এই জেলা।

thebengalpost.net
চলতি মরশুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা:

thebengalpost.net
বিজ্ঞাপন (Advertisement):

যদিও, বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের অধীন সেন্টার ফর এনভারমেন্টাল স্টাডিজের ডিরেক্টর অধ্যাপক যতিশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেও এমন রেকর্ড পারদ-পতন বা শৈত্যপ্রবাহের ঘটনা ঘটে। সেবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ৫.৯৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে! তারপর থেকে এটাই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।’ তবে, একটানা শীতের এই লম্বা ইনিংস যে দীর্ঘ কয়েক বছর পরই অনুভূত হচ্ছে তাও মেনে নিয়েছেন অধ্যাপক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে, কনকনে ঠান্ডায় জবুথবু জঙ্গলমহলের বাসিন্দারা। একশ্রেণীর মানুষ যখন এই ঠান্ডা উপভোগ করছেন। পিকনিকে মোজেছেন। ঠিক তখনই জঙ্গলমহলের লোধা শবর সহ আদিবাসী অধ্যুষিত ও পিছিয়ে পড়া এলাকার মানুষগুলি ঠান্ডায় কার্যত কুঁকড়ে গিয়েছেন। ভাঙা ঘরে, একটামাত্র কম্বলে রাত কাটাতে হচ্ছে অনেককেই। সমাজকর্মীদের একটা অংশ বলছেন তাই বলছেন, ‘একেই বলে কারুর পৌষ মাস তো কারুর সর্বনাশ!’

thebengalpost.net
ঠান্ডায় জবুথবু: