দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১০ জানুয়ারি: লক্ষ্য বন্যপ্রাণ ও পরিবেশ রক্ষা। জঙ্গলমহলবাসীর ঘরে ঘরে সেই বার্তা পৌঁছে দিতেই শনিবার সাতসকালে একটি সাইকেল র‍্যালির আয়োজন করল বনদপ্তর। মেদিনীপুর বনবিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এই সাইকেল র‍্যালিতে অংশ নিলেন পশ্চিমচক্র (ওয়েস্টার্ন সারকেল)-এর মুখ্য বনপাল (সিসিএফ) এস কুণাল ডাইভাল, পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা, জেলার পুলিশ সুপার পলাশচন্দ্র ঢালী, মেদিনীপুর বনবিভাগের ডিএফও দীপক এম সহ সহ পুলিশ, প্রশাসন ও বনদপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

thebengalpost.net
জঙ্গল-পথে আধিকারিকরা:

thebengalpost.net
বিজ্ঞাপন (Advertisement):

শনিবার সকাল ৮টা নাগাদ মেদিনীপুর শহরের রাঙামাটিতে অবস্থিত রূপনারায়ণ বনবিভাগের কার্যালয় থেকে শুরু হয় এই সাইকেল র‍্যালি। গোপগড়, গুড়গুড়িপাল, চাঁদড়া, কলসীভাঙা দিয়ে শালবনীর পিড়াকাটা রেঞ্জ অফিসে থামে ৩০ কিমি দীর্ঘ এই সাইকেল র‍্যালি। সাতসকালে, কুয়াশাঘেরা রাজ্য সড়কে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছেন ডিএম, এসপি সহ পুলিশ-প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা। স্বাভাবিকভাবেই দেখতে ভিড় জমান সাধারণ মানুষ। মুখ্য বনপাল বলেন, ‘পরিবেশ ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের বার্তা দিয়ে এই সাইকেল র‍্যালির আয়োজন করা হয়। আশার কথা হলো, জঙ্গলমহলবাসী এমনিতেই এই বিষয়ে অনেক সচেতন। আর সেজন্যই ২০০৫ সালে যেখানে পশ্চিম মেদিনীপুরে হাতির সংখ্যা ছিল ৪০, এখন তা বেড়ে হয়েছে ২৪০টি (ঝাড়গ্রাম সহ)। শুধু হাতি নয় নেকড়ে, শেয়াল সহ বেশিরভাগ বন্যপ্রাণীর সংখ্যাই বেড়েছে। এমনকি এখন তো এই জঙ্গলমহল এলাকায় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারও দেখা যাচ্ছে মাঝেমধ্যে। এটা প্রমাণ করে যে, এখানকার পরিবেশ তাঁদের জন্য অনুকূল।’ তবে, জঙ্গলে ‘আগুন’ লাগিয়ে দেওয়া নিয়ে বনদপ্তর যে চিন্তিত, জানিয়েছেন সিসিএফ। এই বিষয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কুণাল বাবু। হাতি-মানুষের সংঘাত নিয়ে জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, ‘বনদপ্তর সহ রাজ্য সরকার এটা নিয়ে কাজ করছে। আমরা সকলেই এই সংঘাত কমানোর চেষ্টা করছি। আমরা আশাবাদী, কিছু একটা পথ বেরোবে।’

thebengalpost.net
পরিবেশ রক্ষার বার্তা: