দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন পশ্চিম, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৬ জুন: “আঠারো বছর বয়স জানে না কাঁদা/ এ বয়স জানে রক্তদানের পুণ্য”! ১৮ বছরের জন্মদিনে বাবা-মা’র কাছে প্রতীচী আবদার করেছিল- একটি “রক্তদান শিবির” আয়োজন করার জন্য। অষ্টাদশী কন্যার ইচ্ছেতেই মেদিনীপুরের শিক্ষিকা ও সরকারি আধিকারিক দম্পতি রক্তদান উৎসবের আয়োজন করলেন শনিবার। মেদিনীপুর শহরের দেশবন্ধু নগরের বাসিন্দা শালবনীর নান্দাড়িয়া শ্রাস্ত্রী স্মৃতি বিদ্যাপীঠের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী প্রতীচী ঘোষ। শনিবার ১৮ উত্তীর্ণা হলো সে। এদিন তার জন্মদিনের অনুষ্ঠান পালিত হলো রক্তদান শিবিরের মধ্য দিয়ে।

thebengalpost.in
উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাত :

উল্লেখ্য যে, প্রতীচীর বাবা পেশায় সরকারি আধিকারিক অসিত কুমার ঘোষ এবং মা ওই বিদ্যালয়েরই শিক্ষিকা দীপান্বিতা ঘোষেরও ইচ্ছে ছিল মেয়ের ১৮ তম জন্মদিনটা একটু অন্যভাবে উদযাপন করার। তাঁদের সমাজসেবার প্রথম সোপান আর মেয়ের আন্তরিক ইচ্ছেই মেদিনীপুর’কে উপহার দিলো আরও একটি স্মরণীয় রক্তদান শিবিরের। আগাগোড়া পাশে থাকলেন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “সমব্যথী” ও কেশপুর ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের ফাকরুদ্দিন মল্লিক। রক্তদান করলো প্রতীচী নিজে। সঙ্গে মা দীপান্বিতা ঘোষ, বাবা অসিত ঘোষ, মামা মানস পাত্র এবং ফাকরুদ্দিন বাবুও। মেদিনীপুর শহরের তরুণ সংঘ ব্যায়ামাগারে অনুষ্ঠিত এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা শালবনীর বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো, রক্তদান আন্দোলনের নেতৃত্ব অসীম ধর, জয়ন্ত মুখার্জি, সমাজসেবী শিক্ষক সুব্রত মহাপাত্র, মণিকাঞ্চন রায়, নরসিংহ দাস, নবনীতা মিশ্র, নীলমণি মন্ডল, তরুণ সংঘের পক্ষে সম্পাদক নন্দদুলাল ভকত, তপন ভকত,সুমন চ্যটার্জী, রক্তদান আন্দোলনের কর্মী প্রতিমা রানা, পার্থ প্রতিম মল্লিক, সুনীতা রায়, মুস্তাফিজুর রহমান সহ অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা।