দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পাঞ্জাব, ১২ জুন: চাঞ্চল্যকর মোড় নিউটাউন কাণ্ডে! পাঞ্জাবের মোহালি থেকে গ্রেফতার আসল সুমিত কুমার। এই ক’দিনে পুলিশ অনুমান করছিল ভরত কুমার ও সুমিত কুমার এক ব্যক্তি। কিন্তু, তদন্তে নেমে পাঞ্জাব পুলিশ সুমিত কুমারের সন্ধানও পেয়ে যায়। পাঞ্জাবে গাড়ির যন্ত্রাংশের ব্যবসা রয়েছে সুমিতের। তিনি থাকেন রোহতকে। ভরতের সঙ্গে তাঁর বহুদিনের পরিচয়। ভরতেরও গাড়ির যন্ত্রাংশের ব্যবসা আছে। সেই সূত্রেই একে অন্যের মধ্যে যোগাযোগ। এই সুমিত কুমারের আধার ও পাসপোর্ট দেখিয়েই নিউ টাউনের সাপুরজিতে ‘সুখবৃষ্টি’ আবাসনে বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল ভরত কুমার। শুক্রবার মোহালি থেকে সুমিতকে গ্রেফতার করে পাঞ্জাব পুলিশের ইন্টারনাল সিকিউরিটি টিম।

thebengalpost.in
সুমিত কুমারের পাসপোর্ট :

শনিবার নিউটাউন কাণ্ডে তদন্তকারীরা নতুন রহস্য উদঘাটন করলো! তদন্তকারীদের হাতে উঠে আসে, অনিল দুগ্গার নামে একজনের নাম। এই অনিল দুগ্গারের ফোনের সূত্র ধরেই সুমিত কুমারের খোঁজ মেলে। দেখা যায়, সুমিত ও ভরত পৃথক দুই ব্যক্তি। গ্রেফতারির পর সুমিত পুলিশের কাছে স্বীকার করে নিয়েছে, সে নিজের পাসপোর্ট, আধার কার্ড দিয়েছিল ভরত কুমার ও তৃতীয় এক ব্যক্তিকে। কে সেই সন্দেহভাজন তৃতীয় ব্যক্তি তা এখনও জানা যায়নি! তবে সেই ভরত কুমারই নিউটানের ওই ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। প্রাথমিক তদন্তে সুমিত এবং ভরতকে এক ব্যক্তি মনে করা হলেও পরে দেখা যায় সুমিত অন্য লোক। এখন প্রশ্ন উঠছে, সুমিতের ব্যক্তিগত পরিচয়পত্র কীভাবে ভরতের হাতে গেল? উত্তরে সুমিত জানান, কেউ তাঁর থেকে আধার কার্ড এবং পাসপোর্টের নথি চেয়েছিল। তিনি তা দিয়েছেন। কিন্তু কী কারণে তা চাওয়া হয়েছিল?‌ কে চেয়েছিল?‌ কাকেই বা ভরসা করে তিনি এসব দিয়েছিলেন?‌ তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি সুমিত কুমার। আর তাতেই রহস্য দানা বাঁধছে! তবে কি মোহালির সুমিতও এই চক্রের সঙ্গেই জড়িত? এদিকে, নিহত দুই দুই গ্যাংস্টার জয়পাল ও যশপ্রীত ছাড়াও তৃতীয় এক ব্যক্তির ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিলেছে ঘটনাস্থল (আবাসন) থেকে, খবর তদন্তকারী সূত্রে। কে সেই তৃতীয় ব্যক্তি?‌ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।